https://www.somoyerdarpan.com/

3671

bangladesh

বিদ্যুৎ সরবরাহে ভোগান্তি, প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৫৬

ছবি:সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ জ্বালানি সংকট বাড়াল, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাধা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব দেশের জ্বালানি খাতে পড়েছে। এতে তেলের সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।

দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা চাহিদার দ্বিগুণ হলেও জ্বালানি সংকটের কারণে পুরো সক্ষমতা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে লোডশেডিং বৃদ্ধি পেতে পারে।

সরকারের পক্ষ থেকে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমলসহ দোকাপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এক অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গ্যাস সরবরাহ যদি ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে আসে, তবে উৎপাদন সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে।

পিডিবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলেও এপ্রিলে-মে মাসে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। আর এর বিপরীতে মোট উৎপাদন হতে পারে মাত্র ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।

গতকাল শনিবার সরকারি ছুটির দিনে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট। এদিন দিনের বেলা ৭০০ মেগাওয়াট হলেও রাতে এক পর্যায়ে ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছিল।ঢাকা শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিং বেশি।

মার্চের শুরুতে দেশে প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল। লম্বা ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকায় তা কিছুটা কমে এলেও এখন আবার লোডশেডিং বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এবং তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকলে বিদ্যুৎব্যবস্থায় অতটা চাপ পড়বে না। তবে বৃষ্টিপাত না হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে এপ্রিলে দেশে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এতে বিদ্যুতের চাহিদা আরো বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।