https://www.somoyerdarpan.com/
3813
international
প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৫৫
ছবি:সংগৃহীত
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। এর আগে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যে প্রস্তাবগুলো তেহরানের কাছে পাঠিয়েছিল, তার আনুষ্ঠানিক জবাব তিনি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন। একই সময়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনারও ইসলামাবাদ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এর মধ্যেও দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো সুনির্দিষ্ট শিডিউল নেই। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি অনুযায়ী, ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর আরাঘচিকে স্বাগত জানান উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির। এতে বোঝা যায়, পাকিস্তান এই সফরকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সফরের সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যেখানে সর্বশেষ আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। এই সফরটি এমন এক সংবেদনশীল সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থার মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে কার্যকর রয়েছে। কিন্তু নৌ অবরোধ, পারমাণবিক সীমাবদ্ধতা এবং ছাড় দেয়ার ধাপ নির্ধারণের মতো মূল বিরোধগুলো এখনো অমীমাংসিত।
তেহরান থেকে তিন দেশ সফরে (ওমান ও রাশিয়াও অন্তর্ভুক্ত) রওনা হওয়ার আগে এক্সে দেয়া পোস্টে আরাঘচি বলেন, আমার এই সফরের উদ্দেশ্য হলো দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোতে অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় করা এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে পরামর্শ করা। আমাদের প্রতিবেশীরাই আমাদের অগ্রাধিকার। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানান, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর তেহরানের চূড়ান্ত অবস্থান জানানো। গত সপ্তাহে ফিল্ড মার্শাল মুনির তেহরান সফরের সময় ওয়াশিংটনের বার্তা পৌঁছে দেন, যা পাকিস্তানের মধ্যস্থতার অংশ ছিল।