https://www.somoyerdarpan.com/
3589
international
প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৮:২০
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে তেহরান। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ভোরে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে ৭৮তম দফার শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এবারের অভিযানে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবসহ দেশটির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত এলাকায় নির্ভুল আঘাত হানার দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও টার্গেট করা হয়েছে। বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, এই অভিযানে অত্যাধুনিক ‘এমাদ’ ও ‘কাদর’ ধরনের মাল্টি-ওয়ারহেড (একাধিক মারণাস্ত্রবাহী) ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিপুল সংখ্যক যুদ্ধ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, ‘পিনপয়েন্ট স্ট্রাইক’ সক্ষমতা ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানটি ইরানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ উত্তর খোরাসান, খোরাসান রাজাভি, দক্ষিণ খোরাসান এবং সিস্তান-বালুচিস্তানের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করেছে তেহরান।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের মূল বাহিনী ও বাসিজ ইউনিটের অধিকাংশ সদস্য এখনও সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয়নি। প্রয়োজন হলে পূর্ণশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা বলেছে, এতে যুদ্ধের তীব্রতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। যেকোনো নতুন আগ্রাসনের নির্দেশদাতা ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এরপরই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করে। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যা বর্তমানে ৭৮তম দফায় পৌঁছেছে।