https://www.somoyerdarpan.com/
3630
entertainment
প্রকাশিত : ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৬:৫৮
ছবি:সংগৃহীত
বলিউড সুপারস্টার রণবীর সিং অভিনীত ও আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর টু’ সিনেমাটি বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে।
জানা গেছে যে, মুক্তির মাত্র ১২ দিনেই ভারতের অভ্যন্তরীণ বক্স অফিসে ৮৬৫ কোটি রুপির বেশি আয় করে নিয়েছে এই ছবিটি।
এই অভাবনীয় সাফল্যের মাধ্যমে দক্ষিণি তারকা যশের কাল্ট ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার টু’-এর আয়ের রেকর্ড টপকে গেছে রণবীর সিংয়ের এই সিনেমা। বর্তমানে ছবিটি ১ হাজার কোটির ক্লাবে প্রবেশের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে এবং বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী খুব দ্রুতই এটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
বক্স অফিস বিশ্লেষক সংস্থা স্যাকনিল্ক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৯ মার্চ মুক্তির পর থেকেই ‘ধুরন্ধর টু’ দর্শক ও সমালোচকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহেই ভারতের বাজার থেকে ৬৭৪ কোটি রুপির বেশি সংগ্রহ করেছিল।
দ্বিতীয় সপ্তাহের সোমবারও এর আয়ের গতি ছিল চোখে পড়ার মতো এবং এদিন আরও ১৯.২৬ কোটি রুপি যোগ হয় ছবিটির ঝুলিতে। ১২ দিন শেষে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে ছবিটির মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮৬৬.১৩ কোটি রুপি। এই আয়ের মাধ্যমে এসএস রাজামৌলির ‘আরআরআর’ (৭৮২ কোটি) এবং ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ (৬৪৬ কোটি) এর মতো বড় বাজেটের সিনেমার রেকর্ডকেও পেছনে ফেলেছে এই ছবি।
সিনেমাটির এই বিশাল সাফল্যের পেছনে এর টানটান উত্তেজনাপূর্ণ গল্প এবং দুর্ধর্ষ নির্মাণশৈলীকে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। করাচির ল্যারি টাউনের আন্ডারওয়ার্ল্ড এবং পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘জাসকিরাত সিং রঙ্গী’ চরিত্রটি কীভাবে ‘হামজা আলি মাজানি’ নামক এক ভয়ংকর স্পাই হয়ে উঠল, সেই রোমাঞ্চকর কাহিনী দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।
রণবীর সিংয়ের অনবদ্য অভিনয়ের পাশাপাশি আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত এবং অর্জুন রামপালের উপস্থিতি সিনেমাটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক প্যাকেজে রূপ দিয়েছে। এছাড়া ইয়ামি গৌতমের বিশেষ চমক দর্শকদের সিনেমা হলের দিকে আরও বেশি আকৃষ্ট করেছে।
বর্তমানে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের নজর রয়েছে ছবিটির পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রার দিকে। রাজামৌলির ‘বাহুবলী টু’ (১,০৩০ কোটি) এবং ‘পুষ্পা টু’ (১,২৩৪ কোটি) এর আয়ের রেকর্ড স্পর্শ করতে ‘ধুরন্ধর টু’ কতটা সক্ষম হয়, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ইতিমধ্যেই আল্লু অর্জুন থেকে শুরু করে রাজামৌলির মতো ইন্ডাস্ট্রির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রণবীর সিং ও নির্মাতা আদিত্য ধরের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমান আয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে এটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসের অন্যতম শীর্ষ আয়ের সিনেমা হিসেবে নিজের নাম লেখাবে। হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নে এই সিনেমার নাম আসা বা ৩০ বছরের রেকর্ড ভাঙার মতো ঘটনাগুলো এর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তারই প্রমাণ দিচ্ছে।