https://www.somoyerdarpan.com/
3608
international
প্রকাশিত : ২৯ মার্চ ২০২৬ ১১:৩৭
ছবি:সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী’ হিসেবে গ্রেপ্তার করা ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি এবং হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশিরা হলেন, কাজী আবু সাঈদ। ফোর্ট স্কটে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর অত্যাচার, অবৈধ জুয়া পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ। শাহেদ হাসানকে র্যালিতে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গোপনে অস্ত্র বহন ও চুরির। মোহাম্মদ আহমেদকে আটক করা হয় বাফেলোতে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যৌন নিপীড়ন ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ। মো. হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয় কুইন্সে। তার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আছে। মাহতাব উদ্দিন আহমেদকে আটক করা হয় শ্যান্টিলিতে। তার বিরুদ্ধে গাঁজা ও হ্যালুসিনোজেনিক মাদক বিক্রির অভিযোগ আছে। নওয়াজ খানকে গ্রেপ্তার করা হয় মার্লিনে। অভিযোগ আছে বিপজ্জনক মাদক সংক্রান্ত অপরাধের।
শাহরিয়ার আবিরকে গ্রেপ্তার করা হয় পেনসাকোলায়। তার বিরুদ্ধে আছে চুরির অভিযোগ। আলমগীর চৌধুরীকে আটক করা হয় মাউন্ট ক্লেমেন্সে। তার বিরুদ্ধে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগ আছে। ইশতিয়াক রাফিকে গ্রেপ্তার করা হয় মানাসাসে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্ত্র ও সিনথেটিক মাদক রাখার। কনক পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয় ফিনিক্সে। তার বিরুদ্ধে আছে প্রতারণার অভিযোগ।
ডিএইচএস জানিয়েছে, তাদের সংস্থা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে প্রায় ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে ৫৬ হাজার ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত। গ্রেপ্তার হওয়া ১০ বাংলাদেশিকে সংস্থাটি ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি লরেন বিস এক বিবৃতিতে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্প্রতি গুরুতর অপরাধে জড়িত হাজারো অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। তিনি বলেন, এই অপরাধীরা শিশুদের ওপর আক্রমণ করে বা নিরীহ মানুষকে ক্ষতি করে। তারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ পাওয়ার যোগ্য নয়, কারণ তারা সমাজের জন্য বড় হুমকি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের দেশ থেকে সরিয়ে দেয়ার বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।