https://www.somoyerdarpan.com/
3715
international
প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৫৫
ছবি-সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ঘিরে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম রোববার ৮ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
এর আগে গত মঙ্গলবার সর্বশেষ একশ ডলারের গুরুত্বপূর্ণ সীমা অতিক্রম করেছিল এই মানদণ্ড, তখন দাম উঠেছিল ১১১ ডলারেরও বেশি।
সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা ভেঙে পড়ার পর রোববার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজের প্রবেশ বা বের হওয়া বন্ধ করে দেবে।
তবে পরে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, অবরোধটি শুধুমাত্র ইরানগামী ও ইরান থেকে আসা জাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। অন্য জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত করা হবে না। এতে করে পূর্ণাঙ্গ অবরোধের হুমকি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কমান্ড আরও জানায়, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে এই অবরোধ কার্যকর হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত অবরোধ আরোপ করলে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। বিশ্বে মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
গত মাসে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৯ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও, পরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলে গত সপ্তাহে তা ৯২ ডলারের নিচে নেমে আসে।
বর্তমানে সীমিত সংখ্যক জাহাজকে ইরান এই জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিলেও, আগাম যাচাই ও অনুমোদনের শর্ত থাকায় চলাচল স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
যুদ্ধবিরতি ২২ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকলেও শনিবার মাত্র ১৭টি জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করেছে, যেখানে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করত।
এদিকে এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। সোমবার এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলো নিম্নমুখী প্রবণতা নিয়ে লেনদেন শুরু করে।
জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫ প্রায় ০.৯ শতাংশ কমে যায়, আর দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক এক শতাংশের বেশি পতন হয়। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ার সূচকের আগাম লেনদেনেও প্রায় ০.৮ শতাংশ পর্যন্ত পতন দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ঘিরে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম রোববার ৮ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
এর আগে গত মঙ্গলবার সর্বশেষ একশ ডলারের গুরুত্বপূর্ণ সীমা অতিক্রম করেছিল এই মানদণ্ড, তখন দাম উঠেছিল ১১১ ডলারেরও বেশি।
সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা ভেঙে পড়ার পর রোববার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজের প্রবেশ বা বের হওয়া বন্ধ করে দেবে।
তবে পরে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, অবরোধটি শুধুমাত্র ইরানগামী ও ইরান থেকে আসা জাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। অন্য জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত করা হবে না। এতে করে পূর্ণাঙ্গ অবরোধের হুমকি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কমান্ড আরও জানায়, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে এই অবরোধ কার্যকর হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত অবরোধ আরোপ করলে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। বিশ্বে মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
গত মাসে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৯ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও, পরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলে গত সপ্তাহে তা ৯২ ডলারের নিচে নেমে আসে।
বর্তমানে সীমিত সংখ্যক জাহাজকে ইরান এই জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিলেও, আগাম যাচাই ও অনুমোদনের শর্ত থাকায় চলাচল স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
যুদ্ধবিরতি ২২ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকলেও শনিবার মাত্র ১৭টি জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করেছে, যেখানে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করত।
এদিকে এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। সোমবার এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলো নিম্নমুখী প্রবণতা নিয়ে লেনদেন শুরু করে।
জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫ প্রায় ০.৯ শতাংশ কমে যায়, আর দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক এক শতাংশের বেশি পতন হয়। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ার সূচকের আগাম লেনদেনেও প্রায় ০.৮ শতাংশ পর্যন্ত পতন দেখা গেছে।