https://www.somoyerdarpan.com/

3694

international

ইউরোপে আস্থার সংকটে ট্রাম্প, হারাতে পারেন ঘনিষ্ঠ মিত্র

প্রকাশিত : ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৩৫

ছবি:সংগৃহীত

ইউরোপে ঘনিষ্ট বন্ধুকে হারাতে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। হাঙ্গেরীতে ক্ষমতাসীন ভিক্টর অরবান ট্রাম্পের র্দীঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। কিন্তু এই বন্ধুত্ব হুমকির মুখে পরবে যদি আসন্ন নির্বাচনে অরবান জয় লাভ করতে ব্যর্থ হয়। আগামী রোববার মধ্য ইউরোপের দেশ হাঙ্গেরীতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভিক্টরকে জেতানোর জন্য চেষ্টার কোন কমতি রাখেনি ডনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে এর মাঝেই ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে বুদাপেস্টে পাঠায় ট্রাম্প। সেখানে জনসমাবেশে ফোনে কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমি ভিক্টর অরবানের বড় ভক্ত। আমার সার্বিক সহযোগিতা থাকবে তার জন্য।

যুক্তরাষ্ট্র তার সঙ্গে আছে। গত ফেব্রুয়ারিতে বুদাপেস্ট ভ্রমণকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বলেন, হাঙ্গেরীর সফলতাই যুক্তরাষ্ট্রের সফলতা। দুুর্নীতিগ্রস্ত, ইউরোপীয় ইউনিয়নে খুবই কম ভূমিকা রাখা অরবান সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অরবান গত ১৬ বছর ধরে হাঙ্গেরীর ক্ষমতায় রয়েছে। বুলগেরীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ইভান ক্রাস্তেভ বলেন, ক্ষমতায় থাকার ১৬ বছরে অরবান হাঙ্গেরিকে ইউরোপীয় ডানপন্থীদের বৌদ্ধিক, প্রাতিষ্ঠানিক এবং আর্থিক কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন হাঙ্গেরীতে অরবান এবং তার নির্মিত আদর্শিক কাঠামো ট্রাম্প প্রশাসনের সমমনা ইউরোপ গড়ার প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখে।

যার মূলমন্ত্র হচ্ছে প্রগতিশীলতা-বিরোধী, পরিবেশবাদ-বিরোধী এবং অভিবাসী-বিরোধী। ইউরোপে ট্রাম্পিয়ান বিপ্লব ঘটাতে চায় মার্কিন প্রশাসন। ইউরোপ এটা কতটা চায় আগামী রোববারের নির্বাচনে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। সিএনএনকে বলেন ক্রাস্তেভ। বিরোধী দলীয় নেতা পিটার মাগিয়ারের দল তিসজা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বেশিরভাগ জনমত জরিপে অরবানের ফিদেজ দলের চেয়ে দুই অঙ্কের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। মাগিয়ার দুর্নীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও জনগণের আর্থিক অবস্থার মতো সাধারণ বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিয়েছেন। হাঙ্গেরীর মানুষ পরিবর্তন চাইছে। যদি ভিক্টর অরবান হেরে যায় তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধাক্কা হবে। ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের দূরত্ব বেড়েছে। হাঙ্গেরীতে অরবানের পরাজয় হলে তা হবে ইউরোপে ট্রাম্প প্রশাসনের আরেকটি ব্যর্থতা।